আইন অমান্য আন্দোলন ও ডান্ডি মার্চ (Civil Disobedience Movement - 1930)
(A) ডান্ডি মার্চ (Dandi March)
সূচনা: ১৯৩০ সালের ১২ই মার্চ আহমেদাবাদের সবরমতী আশ্রম (Sabarmati Ashram) থেকে ৭৮ জন অনুগামীকে নিয়ে গান্ধীজি ঐতিহাসিক ডান্ডি পদযাত্রা শুরু করেন।
গন্তব্য: গুজরাটের উপকূলীয় গ্রাম ডান্ডি (Dandi) (দূরত্ব: ২৪১ মাইল / ৩৮৮ কিমি)।
⭐ লবণ আইন ভঙ্গ: ৬ই এপ্রিল, ১৯৩০ সালে গান্ধীজি ডান্ডি উপকূলে একমুঠো নোনা জল ফুটিয়ে লবণ তৈরি করে আনুষ্ঠানিকভাবে 'আইন অমান্য আন্দোলন'-এর সূচনা করেন।
(B) আন্দোলনের ব্যাপ্তি ও নেতৃবৃন্দ
তামিলনাড়ু: সি. রাজাগোপালাচারী (ত্রিশিনাপল্লী থেকে বেদারণ্যম পর্যন্ত লবণ যাত্রা)।
মালাবার (কেরল): কে. কেল্লাপ্পান (Calicut to Payyanur)।
উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ: ⭐ খান আব্দুল গফফর খান (Khan Abdul Ghaffar Khan)-এর নেতৃত্বে আন্দোলন গড়ে ওঠে।
তাঁর অনুগামীদের বলা হতো 'খুদাই খিদমতগার' (Khudai Khidmatgar) বা 'লাল কুর্তি' (Red Shirts) বাহিনী। তাঁকে "সীমান্ত গান্ধী" (Frontier Gandhi) বলা হয়।
নাগাল্যান্ড: ১৩ বছর বয়সী আদিবাসী কন্যা ⭐ রানি গাইডিনলিউ (Rani Gaidinliu) বিদ্রোহ গড়ে তোলেন। (জওহরলাল নেহেরু তাঁকে 'রানি' উপাধিতে ভূষিত করেন)।
ধরাসনা লবণ সত্যগ্রহ (Dharasana): মে ১৯৩০; সরোজিনী নাইডু, ইমাম সাহেব ও মণি লাল-এর নেতৃত্বে গুজরাটের ধরাসনায় রক্তক্ষয়ী অহিংস আন্দোলন হয়।
(C) গান্ধী-আরউইন চুক্তি ও আন্দোলন প্রত্যাহার (Gandhi-Irwin Pact - 1931)
প্রথম গোলটেবিল বৈঠক (১৯৩০): কংগ্রেস এটি বয়কট করে।
⭐ গান্ধী-আরউইন চুক্তি (Delhi Pact): ৫ই মার্চ, ১৯৩১ সালে ভাইসরয় লর্ড আরউইন ও গান্ধীজির মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
কংগ্রেস দ্বিতীয় গোলটেবিল বৈঠকে যোগ দিতে রাজি হয় এবং আন্দোলন সাময়িকভাবে স্থগিত করে।
দ্বিতীয় গোলটেবিল বৈঠক (১৯৩১): গান্ধীজি কংগ্রেসের একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে লন্ডনে যোগ দেন (কোনো ফলাফল না আসায় তিনি খালি হাতে ফিরে এসে আবার আন্দোলন শুরু করেন, যা ১৯৩৪ সালে সম্পূর্ণ বন্ধ হয়)।
৪. Table: প্রধান ব্যক্তিত্ব ও তাঁদের ভূমিকার সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ
ব্যক্তিত্ব | ভূমিকা / বিশেষত্ব |
সি. আর. দাস (দেশবন্ধু) | স্বরাজ্য দলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি (১৯২৩)। |
ভিঠলভাই প্যাটেল | প্রথম ভারতীয় সেন্ট্রাল লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলির প্রেসিডেন্ট/স্পিকার (১৯২৫)। |
মতিলাল নেহেরু | স্বরাজ্য দলের সাধারণ সম্পাদক ও নেহেরু রিপোর্টের (১৯২৮) প্রধান প্রণেতা। |
লালা লাজপত রায় | সাইমন বিরোধী মিছিলে লাহোরে পুলিশের লাঠিচার্জে শহীদ হন (১৯২৮)। |
খান আব্দুল গফফর খান | 'সীমান্ত গান্ধী'; 'খুদাই খিদমতগার' বা 'লাল কুর্তি' বাহিনীর প্রধান। |
সি. রাজাগোপালাচারী | তামিলনাড়ুতে বেদারণ্যম লবণ সত্যগ্রহ পরিচালনা করেন। |
Important Facts (পরীক্ষায় বারবার আসা তথ্য) ⭐
⭐ স্বরাজ্য দল কত সালে গঠিত হয়? ১লা জানুয়ারি, ১৯২৩ (এলাহাবাদে)।
⭐ প্রথম ভারতীয় হিসেবে কে কেন্দ্রীয় আইনসভার স্পিকার হন? ভিঠলভাই প্যাটেল (১৯২৫)।
⭐ সাইমন কমিশনে মোট কতজন ভারতীয় সদস্য ছিলেন? শূন্য (০ জন — সম্পূর্ণ শ্বেতাঙ্গ কমিটি)।
⭐ 'সীমান্ত গান্ধী' কাকে বলা হয়? খান আব্দুল গফফর খানকে।
⭐ কংগ্রেসের লাহোর অধিবেশনে (১৯২৯) 'পূর্ণ স্বরাজ'-এর প্রস্তাব পাসের সময় সভাপতি কে ছিলেন? জওহরলাল নেহেরু।
⭐ ডান্ডি মার্চ কতজন অনুগামী নিয়ে শুরু হয়েছিল? ৭৮ জন অনুগামী (১২ই মার্চ, ১৯৩০)।
⭐ গান্ধী-আরউইন চুক্তি (Delhi Pact) কবে স্বাক্ষরিত হয়? ৫ই মার্চ, ১৯৩১।
⭐ কোন একমাত্র গোলটেবিল বৈঠকে মহাত্মা গান্ধী যোগ দিয়েছিলেন? দ্বিতীয় গোলটেবিল বৈঠক (১৯৩১, লন্ডন)।
Common Confusion (যে বিষয়গুলো পরীক্ষায় ভুল হয়)
ভুলধারণা 1: জওহরলাল নেহেরু 'নেহেরু রিপোর্ট' (১৯২৮) পেশ করেছিলেন।
সঠিক তথ্য: নেহেরু রিপোর্টের প্রধান প্রণেতা ছিলেন মতিলাল নেহেরু (Father); জওহরলাল নেহেরু (Son) কমিটির সম্পাদক ছিলেন।
ভুলধারণা 2: ডান্ডি মার্চ ৬ই মার্চ শুরু হয়েছিল।
সঠিক তথ্য: পদযাত্রা শুরু হয় ১২ই মার্চ, ১৯৩০ এবং ডান্ডিতে পৌঁছে লবণ আইন ভাঙা হয় ৬ই এপ্রিল, ১৯৩০।
ভুলধারণা 3: সাইমন কমিশন ১৯২৭ সালে ভারতে এসেছিল।
সঠিক তথ্য: সাইমন কমিশন গঠিত হয় ১৯২৭ সালে ব্রিটেনে, কিন্তু ভারতে পৌঁছায় ৩রা ফেব্রুয়ারি, ১৯২৮ সালে।
One Minute Revision (Quick Revision Notes)
স্বরাজ্য দল: ১৯২৩ | সি. আর. দাস ও মতিলাল নেহেরু | স্পিকার: ভিঠলভাই প্যাটেল (১৯২৫)।
সাইমন কমিশন: গঠিত: ১৯২৭ | ভারতে আগমন: ১৯২৮ | শ্বেতাঙ্গ কমিশন | লালা লাজপত রায়ের মৃত্যু।
নেহেরু রিপোর্ট: ১৯২৮ | প্রণেতা: মতিলাল নেহেরু | দাবি: ডোমিনিয়ন স্ট্যাটাস।
লাহোর অধিবেশন: ১৯২৯ | সভাপতি: জওহরলাল নেহেরু | প্রস্তাব: পূর্ণ স্বরাজ (২৬ জানুয়ারি ১৯৩০)।
ডান্ডি মার্চ: ১২ মার্চ - ৬ এপ্রিল ১৯৩০ | ৭৮ জন সঙ্গীকে নিয়ে ডান্ডি গমন | লবণ আইন ভঙ্গ।
আইন অমান্য আন্দোলন: ১৯৩০ | সীমান্ত গান্ধী (খান আব্দুল গফফর খান) - লাল কুর্তি।
গান্ধী-আরউইন চুক্তি: ৫ই মার্চ, ১৯৩১।
Chat with our faculty on WhatsApp for doubts, explanations, or to join our classes.
Chat on WhatsAppMore from Study Notes (Subject)
পরমাণু (ATOM) ,অণু (MOLECULE) ও যৌগ (COMPOUNDS)
ওয়াভেল প্ল্যান ও শিমলা সম্মেলন (Wavell Plan & Simla Conference - 1945)
নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু, আজাদ হিন্দ ফৌজ, ওয়াভেল প্ল্যান, ক্যাবিনেট মিশন এবং ভারতের স্বাধীনতা লাভ (১৯৪৩ - ১৯৪৭)
আগস্ট অফার, ক্রিপস মিশন এবং ভারত ছাড়ো আন্দোলন (১৯৪০ - ১৯৪২)

Near Vivekananda College More, Burdwan - 713103
আইন অমান্য আন্দোলন ও ডান্ডি মার্চ (Civil Disobedience Movement - 1930)
(A) ডান্ডি মার্চ (Dandi March)
সূচনা: ১৯৩০ সালের ১২ই মার্চ আহমেদাবাদের সবরমতী আশ্রম (Sabarmati Ashram) থেকে ৭৮ জন অনুগামীকে নিয়ে গান্ধীজি ঐতিহাসিক ডান্ডি পদযাত্রা শুরু করেন।
গন্তব্য: গুজরাটের উপকূলীয় গ্রাম ডান্ডি (Dandi) (দূরত্ব: ২৪১ মাইল / ৩৮৮ কিমি)।
⭐ লবণ আইন ভঙ্গ: ৬ই এপ্রিল, ১৯৩০ সালে গান্ধীজি ডান্ডি উপকূলে একমুঠো নোনা জল ফুটিয়ে লবণ তৈরি করে আনুষ্ঠানিকভাবে 'আইন অমান্য আন্দোলন'-এর সূচনা করেন।
(B) আন্দোলনের ব্যাপ্তি ও নেতৃবৃন্দ
তামিলনাড়ু: সি. রাজাগোপালাচারী (ত্রিশিনাপল্লী থেকে বেদারণ্যম পর্যন্ত লবণ যাত্রা)।
মালাবার (কেরল): কে. কেল্লাপ্পান (Calicut to Payyanur)।
উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ: ⭐ খান আব্দুল গফফর খান (Khan Abdul Ghaffar Khan)-এর নেতৃত্বে আন্দোলন গড়ে ওঠে।
তাঁর অনুগামীদের বলা হতো 'খুদাই খিদমতগার' (Khudai Khidmatgar) বা 'লাল কুর্তি' (Red Shirts) বাহিনী। তাঁকে "সীমান্ত গান্ধী" (Frontier Gandhi) বলা হয়।
নাগাল্যান্ড: ১৩ বছর বয়সী আদিবাসী কন্যা ⭐ রানি গাইডিনলিউ (Rani Gaidinliu) বিদ্রোহ গড়ে তোলেন। (জওহরলাল নেহেরু তাঁকে 'রানি' উপাধিতে ভূষিত করেন)।
ধরাসনা লবণ সত্যগ্রহ (Dharasana): মে ১৯৩০; সরোজিনী নাইডু, ইমাম সাহেব ও মণি লাল-এর নেতৃত্বে গুজরাটের ধরাসনায় রক্তক্ষয়ী অহিংস আন্দোলন হয়।
(C) গান্ধী-আরউইন চুক্তি ও আন্দোলন প্রত্যাহার (Gandhi-Irwin Pact - 1931)
প্রথম গোলটেবিল বৈঠক (১৯৩০): কংগ্রেস এটি বয়কট করে।
⭐ গান্ধী-আরউইন চুক্তি (Delhi Pact): ৫ই মার্চ, ১৯৩১ সালে ভাইসরয় লর্ড আরউইন ও গান্ধীজির মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
কংগ্রেস দ্বিতীয় গোলটেবিল বৈঠকে যোগ দিতে রাজি হয় এবং আন্দোলন সাময়িকভাবে স্থগিত করে।
দ্বিতীয় গোলটেবিল বৈঠক (১৯৩১): গান্ধীজি কংগ্রেসের একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে লন্ডনে যোগ দেন (কোনো ফলাফল না আসায় তিনি খালি হাতে ফিরে এসে আবার আন্দোলন শুরু করেন, যা ১৯৩৪ সালে সম্পূর্ণ বন্ধ হয়)।
৪. Table: প্রধান ব্যক্তিত্ব ও তাঁদের ভূমিকার সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ
ব্যক্তিত্ব | ভূমিকা / বিশেষত্ব |
সি. আর. দাস (দেশবন্ধু) | স্বরাজ্য দলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি (১৯২৩)। |
ভিঠলভাই প্যাটেল | প্রথম ভারতীয় সেন্ট্রাল লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলির প্রেসিডেন্ট/স্পিকার (১৯২৫)। |
মতিলাল নেহেরু | স্বরাজ্য দলের সাধারণ সম্পাদক ও নেহেরু রিপোর্টের (১৯২৮) প্রধান প্রণেতা। |
লালা লাজপত রায় | সাইমন বিরোধী মিছিলে লাহোরে পুলিশের লাঠিচার্জে শহীদ হন (১৯২৮)। |
খান আব্দুল গফফর খান | 'সীমান্ত গান্ধী'; 'খুদাই খিদমতগার' বা 'লাল কুর্তি' বাহিনীর প্রধান। |
সি. রাজাগোপালাচারী | তামিলনাড়ুতে বেদারণ্যম লবণ সত্যগ্রহ পরিচালনা করেন। |
Important Facts (পরীক্ষায় বারবার আসা তথ্য) ⭐
⭐ স্বরাজ্য দল কত সালে গঠিত হয়? ১লা জানুয়ারি, ১৯২৩ (এলাহাবাদে)।
⭐ প্রথম ভারতীয় হিসেবে কে কেন্দ্রীয় আইনসভার স্পিকার হন? ভিঠলভাই প্যাটেল (১৯২৫)।
⭐ সাইমন কমিশনে মোট কতজন ভারতীয় সদস্য ছিলেন? শূন্য (০ জন — সম্পূর্ণ শ্বেতাঙ্গ কমিটি)।
⭐ 'সীমান্ত গান্ধী' কাকে বলা হয়? খান আব্দুল গফফর খানকে।
⭐ কংগ্রেসের লাহোর অধিবেশনে (১৯২৯) 'পূর্ণ স্বরাজ'-এর প্রস্তাব পাসের সময় সভাপতি কে ছিলেন? জওহরলাল নেহেরু।
⭐ ডান্ডি মার্চ কতজন অনুগামী নিয়ে শুরু হয়েছিল? ৭৮ জন অনুগামী (১২ই মার্চ, ১৯৩০)।
⭐ গান্ধী-আরউইন চুক্তি (Delhi Pact) কবে স্বাক্ষরিত হয়? ৫ই মার্চ, ১৯৩১।
⭐ কোন একমাত্র গোলটেবিল বৈঠকে মহাত্মা গান্ধী যোগ দিয়েছিলেন? দ্বিতীয় গোলটেবিল বৈঠক (১৯৩১, লন্ডন)।
Common Confusion (যে বিষয়গুলো পরীক্ষায় ভুল হয়)
ভুলধারণা 1: জওহরলাল নেহেরু 'নেহেরু রিপোর্ট' (১৯২৮) পেশ করেছিলেন।
সঠিক তথ্য: নেহেরু রিপোর্টের প্রধান প্রণেতা ছিলেন মতিলাল নেহেরু (Father); জওহরলাল নেহেরু (Son) কমিটির সম্পাদক ছিলেন।
ভুলধারণা 2: ডান্ডি মার্চ ৬ই মার্চ শুরু হয়েছিল।
সঠিক তথ্য: পদযাত্রা শুরু হয় ১২ই মার্চ, ১৯৩০ এবং ডান্ডিতে পৌঁছে লবণ আইন ভাঙা হয় ৬ই এপ্রিল, ১৯৩০।
ভুলধারণা 3: সাইমন কমিশন ১৯২৭ সালে ভারতে এসেছিল।
সঠিক তথ্য: সাইমন কমিশন গঠিত হয় ১৯২৭ সালে ব্রিটেনে, কিন্তু ভারতে পৌঁছায় ৩রা ফেব্রুয়ারি, ১৯২৮ সালে।
One Minute Revision (Quick Revision Notes)
স্বরাজ্য দল: ১৯২৩ | সি. আর. দাস ও মতিলাল নেহেরু | স্পিকার: ভিঠলভাই প্যাটেল (১৯২৫)।
সাইমন কমিশন: গঠিত: ১৯২৭ | ভারতে আগমন: ১৯২৮ | শ্বেতাঙ্গ কমিশন | লালা লাজপত রায়ের মৃত্যু।
নেহেরু রিপোর্ট: ১৯২৮ | প্রণেতা: মতিলাল নেহেরু | দাবি: ডোমিনিয়ন স্ট্যাটাস।
লাহোর অধিবেশন: ১৯২৯ | সভাপতি: জওহরলাল নেহেরু | প্রস্তাব: পূর্ণ স্বরাজ (২৬ জানুয়ারি ১৯৩০)।
ডান্ডি মার্চ: ১২ মার্চ - ৬ এপ্রিল ১৯৩০ | ৭৮ জন সঙ্গীকে নিয়ে ডান্ডি গমন | লবণ আইন ভঙ্গ।
আইন অমান্য আন্দোলন: ১৯৩০ | সীমান্ত গান্ধী (খান আব্দুল গফফর খান) - লাল কুর্তি।
গান্ধী-আরউইন চুক্তি: ৫ই মার্চ, ১৯৩১।